ভাতাড়ের স্বর্ণচালিতা সমবায় সমিতির উদ্যোগে 50 কুইন্টাল চাল তুলে দেওয়া হলো

1st May 2020 বর্ধমান
ভাতাড়ের স্বর্ণচালিতা সমবায় সমিতির   উদ্যোগে  50  কুইন্টাল চাল  তুলে দেওয়া হলো


ভাতাড়ের স্বর্ণচালিতা সমবায় সমিতির   à¦‰à¦¦à§à¦¯à§‹à¦—ে  50  কুইন্টাল চাল  তুলে দেয়া হলো আজ।

লকডাউনের জেরে গৃহবন্দী দের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছে যেমন সরকার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লাব সংগঠনে তারাও এগিয়ে আসছে। এরই মাঝে ভাতার ব্লকের সাহেবগঞ্জ এক নম্বর আঞ্চলিক সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি প্রায় 400 টি দারিদ্র পরিবারের হাতে তুলে দিলেন চাল।
এই স্বর্ণচালিতা সমবায় সমিতির উদ্যোগে খুশি হয়েছেন সাহেবগঞ্জ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষজন।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন সাহেবগঞ্জ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান চায়না অধিকারী, ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকারী সভাপতি  বাসুদেব যস, বিশিষ্ট সমাজসেবী সুব্রত অধিকারী, সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ।
 à¦¸à¦®à¦¬à¦¾à¦¯à¦¼ সমিতির ম্যানেজার অজয় কুমার মুখার্জি  জানান,  আজ আমরা আমাদের সাহেবগঞ্জ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের স্বর্ণচালিতা সমবায় এর উদ্যোগে বেশকিছু গ্রামের  প্রায় শতাধিক দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। তাই তাদেরকে আজ দেয়া   à¦¹à¦²à§‹ 5 কিলো চাল । পাশাপাশি এই সমবায় সমিতি সহযোগিতায় সাতটি গ্রামে 50 কুইন্টাল চাল বিতরণ করা হয়





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS