শিরোনামঃ ভাতাড়ের উদয়াচল ক্লাব 5 হাজার মানুষকে রান্না করে খাবার বিতরণ করলেন আজ

3rd May 2020 বর্ধমান
শিরোনামঃ ভাতাড়ের উদয়াচল ক্লাব 5 হাজার মানুষকে রান্না করে খাবার বিতরণ করলেন আজ


শিরোনামঃ
ভাতাড়ের উদয়াচল ক্লাব 5 হাজার মানুষকে রান্না করে খাবার বিতরণ করলেন আজ।

করোনাভাইরাস এর জেরে গোটা বিশ্বে চলছে লকডাউন। এর ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ ।তাই তাদের কথা চিন্তা করে সরকার থেকে এবং বিভিন্ন ক্লাব থেকে নানান ভাবে সাহায্য করা হচ্ছে বিভিন্ন দুঃস্থ মানুষদের। বিভিন্ন ক্লাবের উদ্যোগে দেয়া হচ্ছে চাল-ডাল। আজ ভাতাড়ের এরুয়ার উদায়াচল ক্লাব প্রায় 5 হাজার মানুষকে রান্না করে খাবার বিতরণ করলেন। ভাতের সঙ্গে তরকারি ছিল, ডাল, সবজি, ডিম ও চাঁননী।

ক্লাবের সদস্য মান গোবিন্দ অধিকারী জানান, ইতিপূর্বে আমরা ক্লাবের পক্ষ থেকে চাল ,ডাল, ডাল ,তেল বিতরণ করেছি গ্রামের দুঃস্থ মানুষদের কে। আমাদের এই এরুয়ার গ্রাম অনেক বড় গ্রাম। গ্রামে অনেক দুস্থ পরিবার রয়েছে। লকডাউন এর ফলে অনেকেই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। প্রশাসনের কথামতো গ্রামের মানুষজন ঘরের মধ্যেই আবদ্ধ রয়েছেন। ঠিকঠাক খাবার তৈরি করতে পারছেন না বাড়িতে।তাই আজ আমরা ক্লাবের পক্ষ থেকে পাঁচ হাজার মানুষের খাবার বিতরণ করলাম। বেশ কয়েকটি তরকারি ছিল। প্রায় আট টা কাউন্টারে ভাগ করে এই খাবার বিতরণ করলাম। যাতে করে ভিড় না হয়। সরকারের  নির্দেশমতো খাবার বিতরণ করলাম।

এই খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাতার বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা, ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি কর্মদক্ষ মান গোবিন্দ অধিকারী ,জনস্বাস্থ্যের কর্মদক্ষ মহেন্দ্র হাজরা, বিশিষ্ট সমাজসেবী অশোক হাজরা, রাজা কারফা, ভাতাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরেশ চক্রবর্তী,প্রাক্তন বিদ্যুতের কর্মদক্ষ সান্তনু কোনার,  সহ বিশিষ্ট ব্যক্তি জন।
গ্রামের সাধারণ মানুষ এই খাবার পেয়ে ক্লাবের সদস্যদের অনেক ধন্যবাদ জানিয়েছেন

 

ভাতাড় থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

 

 





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS