তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তেজনা গলসী থানার পুরষা গ্রামে

9th May 2020 6:05 pm বর্ধমান
তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তেজনা গলসী থানার পুরষা গ্রামে


করোনা আতংকে লকডাউনের জেরে যখন গোটা দেশের মানুষ বাড়ি থেকে সচরাচর বের হতে চাইছেন না, সেই সময় সরকারী চাল বণ্টনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনা ঘটল পূর্ব বর্ধমানের গলসী থানার পুরষা গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সরকারী চাল (জিআর) বণ্টনে কার কর্তৃত্ব থাকবে তা নিয়ে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা তৈরি হচ্ছিল গ্রামে। শনিবার সেই গোলমাল ব্যাপক আকার নেয়। 

 

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এদিন সকালে গ্রামের সেখ কামালউদ্দিন ওরফে কমল গোষ্ঠীর লোকেরা সেখ গোলাম মৌর্তজা ওরফে লালন গোষ্ঠীর কর্মী আসগর মন্ডল ওরফে ভাদুর বাড়িতে হামলা চালায়। ওই পরিবারের গৃহবধূ সেরিনা বেগম অভিযোগ করেছেন, আক্রমণকারী সকলের হাতে অস্ত্র ছিল। দুষ্কৃতীরা ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে তাঁদের বাড়িতে। এদিকে পাল্টা হামলা চালায় লালন সেখের লোকজন বলেও অভিযোগ। এরপরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। যথেচ্ছভাবে ছোড়া হয় বোমা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গলসি থানা থেকে এসে হাজির হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। 

 

বোমার আঘাতে বেশ কয়েকটি গবাদি পশু জখম হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। যদিও গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, যাঁরা মূল দোষী তাঁদের না পেয়ে পুলিশ কয়েকজন নিরীহকে আটক করেছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

 

এদিকে পুরষার ঘটনা প্রসঙ্গে গলসির বিধায়ক অলোক মাঝি জানিয়েছেন, লকডাউনের মধ্যে যখন পবিত্র রমজান মাস চলছে, এমনকি যারা এই সময়েও সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা না করে ঝামেলায় লিপ্ত হচ্ছে, তারা অন্তত তৃণমূল কংগ্রেস দলের কেউ নয়। পুলিশ কে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
লকডাউনের মধ্যেই গলসীর পুরষায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তেজনা।পূর্ব বর্ধমান থেকে পাপাই সরকারের রিপোর্ট ।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS