প্রশাসনিক নির্দেশ মেনেই পূর্ব বর্ধমানে শহড় বর্ধমানে এসে পৌছাল ব‍্যাঙ্গালোর থেকে আটকে থাকা বেশকিছু যাত্রি তাদেরকে নবাবহাট বাসস্ট‍্যান্ডে নিয়ে আসা হয় তারপর তাদেরকে এস বি এস টি বাসে করে তাদ

12th May 2020 5:57 pm বর্ধমান
প্রশাসনিক নির্দেশ মেনেই পূর্ব বর্ধমানে শহড় বর্ধমানে এসে পৌছাল ব‍্যাঙ্গালোর থেকে আটকে থাকা বেশকিছু যাত্রি তাদেরকে নবাবহাট বাসস্ট‍্যান্ডে নিয়ে আসা হয় তারপর তাদেরকে এস বি এস টি বাসে করে তাদ


প্রশাসনিক নির্দেশ মেনেই পূর্ব বর্ধমানে শহড় বর্ধমানে এসে পৌছাল ব‍্যাঙ্গালোর থেকে আটকে থাকা বেশকিছু যাত্রি তাদেরকে নবাবহাট বাসস্ট‍্যান্ডে নিয়ে আসা হয় তারপর তাদেরকে এস বি এস টি বাসে করে তাদেরকে নিজস্ব জেলায় ফিরিয়ে দেওয়ার উদ‍্যোগ গ্ৰহন করা হয়েছে মঙ্গলবার ।যেসমস্ত যাত্রিরা বেঙ্গালোর থেকে এসে পৌছায় পূর্ব বর্ধমানের নবাবহাটে এবং তারপর বাসে করে বিভিন্ন জায়গায় যেসমস্ত যাত্রীরা রয়েছে  তাদেরকে আজ ফিরিয়ে দেওয়া হল প্রশাসনের উদ‍্যোগে। বেশ কিছুদিন আটকে ছিল ব‍্যাঙ্গালোরে যাত্রীরা এবং স্বাভাবিকভাবে তাদের মধ‍্যে দুঞ্চিতা গ্ৰাস করেছিল, অবশেষে প্রশাসনিক নির্দেশে ট্রেনের মাধ‍্যমে তারা আসতে পেরেছেন এবং প্রশাসনের নির্দেশে বাসে করে নবাবহাট থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হল নিজের জেলায় ।এবং প্রশাসনিক নির্দেশ মেনেই যেসমস্ত সরকারি  নির্দেশনামা রয়েছে সেই নির্দেশ মেনেই আগামি ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন।স্বাস্থ দপ্তরের যে নির্দেশিকা রয়েছে সেই নির্দেশিকা মেনেই তারা থাকবেন ।বর্ধমানের নবাবহাট থেকে তাদেরকে বাসে করে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ।স্বাভাবিকভাবেই কড়া আটোসাটো করা হয়েছে প্রশাসনিক ব‍্যাবস্থা কোথাও যাতে কনোরকম সমস‍্যা তৈরি না হয় তারজন‍্য প্রশাসনিক নজর রয়েছে প্রত‍্যেকটা যাত্রীর শারিরীক পরিক্ষা করা হল বর্ধমানের নবাবহাট বাসস্ট‍্যান্ডে তারপর তাদেরকে বাসে প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে নিজের জেলায় ফিরিয়ে দেওয়া হল এদিন ।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS