লকডাউনের জেরে সমস্যায় ডোকরা শিল্পীরা

13th May 2020 2:17 pm বর্ধমান
লকডাউনের জেরে সমস্যায় ডোকরা শিল্পীরা


'করোনা' ও 'লক ডাউন'। একেবারে অপরিচিত এই শব্দ দু'টিই এখন বহুল প্রচারিত। আর 'করোনা'র সতর্কতার জেরে দীর্ঘ 'লক ডাউনে' বদলে গেছে অনেক কিছুই। যেমন ধরা যাক্ বাঁকুড়ার পাত্রসায়রের নিতাই কর্মকারের কথা। যৌবনে কাঁসা পিতলের বাসন পত্র তৈরী করে বিক্রি করাই ছিল মূল ব্যবসা। পরে একসময় মূলতঃ শখ করে ডোকরা শিল্পে মনোনিবেশ করেন। তারপর আর থামা নেই। ডোকরা শিল্পকে অবলম্বন করেই জীবনের একটা বড় সময় কাটিয়ে দিয়েছেন। ডোকরা শিল্পে নতুন আঙ্গিকের জন্ম দিয়ে ২০১২ সালে কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দপ্তরের অধীনে থাকা 'খাদি এণ্ড ভিলেজ ইণ্ড্রাস্ট্রিজ কমিশনে'র তরফে পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। তাঁর তৈরী শিল্প কর্ম রাজ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে পাড়ি দিয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এখন তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাঁর ছেলে ও ভাই কয়েক জন শ্রমিককে নিয়ে ব্যবসা দেখাশোনা করেন। কিন্তু করোনার উপস্থিতিতে লকডাউনের জেরে সব কিছু ওলট পালট করে দিল। একদিকে কাঁচা মাল আসা বন্ধ, অন্যদিকে উৎপাদিত সামগ্রীরও বিক্রির সুযোগ নেই। ফলে মন না চাইলেও আপাতত কাজে আসতে নিষেধ করা হয়েছে শ্রমিকদের। 

জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ডোকরা শিল্পী নিতাই কর্মকার এখন ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাঁর চিকিৎসা চলছে। ফলে একদিকে চিকিৎসার বিপুল খরচ, অন্যদিকে রোজগার বন্ধ। এই অবস্থায় কিভাবে দিন কাটবে ভেবে পাচ্ছেননা পাত্রসায়রের কর্মকার পরিবার।





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS