বন্ধ কোম্পানি খোলায় খুশি মুখ দেখলো শ্রমিক সহ শ্রমিক পরিবারের

14th May 2020 1:19 pm দক্ষিণ 24 পরগনা
বন্ধ কোম্পানি খোলায় খুশি মুখ দেখলো শ্রমিক সহ শ্রমিক পরিবারের


বন্ধ কোম্পানি খোলায় খুশি মুখ দেখলো শ্রমিক সহ শ্রমিক পরিবারের ।।

দীর্ঘদিন 9 মাস বন্ধ থাকার পর এই লকডাউনের সময়ে বন্ধ কোম্পানি খুললো বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের উদ্যোগে । দক্ষিণ 24 পরগনার বিষ্ণুপুর থানার ভাষা পাম্প ভিলেজের কারবেক হোল্ডিং লিমিটেড কোম্পানি । এখানে মূলত lpg, India গ্যাস সিলিন্ডারের ভাল্ভ, সিলিন্ডার তৈরি হয় ।এখানে 500 জন শ্রমিক কাজ করে , 2 টি সিপ্টিটে কাজ হয়, কিন্তু দীর্ঘ 9 মাস ধরে সংসার চালাতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে শ্রমিক সহ শ্রমিক পরিবার  । তার উপরে গোদের উপর বিষ ফোঁড়া কারণ কোভিড19 নবেল করনো জেরে লকডাউন তার উপর গৃহবন্দি মানুষ সমস্যার সম্মুখীন শ্রমিক বন্ধ কোম্পানি । বন্ধ কোম্পানি খোলায় খুশির নিঃশ্বাস শ্রমিক মহলে 





Others News

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ


ঢোলাহাট থানা দক্ষিণ রায়পুরে ৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ।

 

বাবলুপ্রামানিক, পাথরপ্রতিমা।

 

দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার ঢোলাহাট থানার দক্ষিণ রায়পুর রাজপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটলো সাইফুল রাজের বাড়িতে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সাইফুল রাজ এবং তার ছেলে রায়হান রাজ কর্মসূত্রে কেরালা তে থাকে। বাড়ি তে সাইফুলের স্ত্রী মেয়ে এবং বৌমা ছিল। সেই সুযোগে গতকাল রাত্রে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। আজ সকাল ৮ টা পর্যন্ত সাইফুল রাজের বাড়ির কোন লোক বেরোচ্ছে না দেখে পাশের বাড়ির লোকজন গিয়ে দেখে বেহুঁশ অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিনজন দুটি ঘরে। এক ঘরে মা এবং মেয়ে অন্য ঘরে বৌমা। বহু ডাকাডাকির পর সাড়া না দেওয়ায় চিৎকার চেচামেচি করলে এলাকার লোকজন ছুটে আসে। ডাক্তারকে ডাকা হয় ডাক্তার এসে জানিয়ে দেয় এরা বেহুশ রয়েছে হাসপাতালে পাঠাতে হবে। খবর দেওয়া হয় ঢোলাহাট থানায়, থানার পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে পাশের বাড়ির পাশের বাড়ির লাইলী নামে একটি মেয়ে গত 5 দিন আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে ভাইদের কাছে আসে, যার বিবাহ হয়েছে ওই একই থানার কোচফলে। গতকাল সন্ধ্যায় লাইলি নামে মেয়েটি রায়হানের স্ত্রীর কাছে ঘুমাতে আসে।সকাল হতে মেয়েটি বেপাত্তা হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায় পাশের বাড়ির একটা কাকে বলে সাইফুল দের বাড়ির সবাই কথা বলছে না বেহুশ হয়ে আছে বলে সে সকালে পালিয়ে যায়। আরো জানা গিয়েছে ঘর করার জন্য গতকাল 65000 হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে মারুফ রাজ স্বামীর সাইফুল বাড়িতে রেখেছিল কুলপির ইটভাটায় দেওয়ার জন্য। সেই টাকাসহ ঘরের বাক্স বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙ্গে সোনার গহনা থেকে সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে গ্রামবাসীদের অনুমান ওই মেয়েটির একাধারে ঘটনা ঘটেনি কারণ দরজা ভেঙে তিনজনকে বেহুশ করে এত বড় কান্ড ঘটনা ওই মেয়ের একার দ্বারা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অসুস্থ তিনজনকে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।