ভাঙড়ে লকডাউনের রাতে শুটআউট,অল্পের জন্য রক্ষা তৃণমূল নেতা।

17th May 2020 3:52 pm দক্ষিণ 24 পরগনা
ভাঙড়ে লকডাউনের রাতে শুটআউট,অল্পের জন্য রক্ষা তৃণমূল নেতা।


বাবলু প্রামাণিক দক্ষিণ 24পরগনা

লকডাউনের রাতে তৃণমূল নেতা কে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি।অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন তৃণমূল নেতা।ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার চার জন।এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে ভাঙড়ের বোদরায়, ভাঙড়ের বোদরা অঞ্চলের সভাপতি তথা উপপ্রধান সাদিকুল দপ্তরিকে লক্ষ্য করে গুলি করে এক দল দুষকৃতী। এই ঘটনায় বিজেপি আশ্রিত দুস্কৃতিকারীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি সওকাত মোল্লা, ভাঙড় ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শাহজাহান মোল্লারা।
পুলিশ সুত্রে যেমনটি জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চলে। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান তিনি। দুস্কৃতিকারীরা উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সোদপুরের বাসীন্দা বলে খবর।
দুস্কৃতিকারীদের পিছনে ধাওয়া করে তৃণমূল কর্মীরা চার জনকে ধরে ফেলে। ভাঙড় থানার পুলিশ অভিযুক্ত দের হেপাজাতে নিয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে, একটি আগ্নেয়াস্ত্র, এক রাউন্ড গুলি ও একটি ভোজালি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।





Others News

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ

৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ


ঢোলাহাট থানা দক্ষিণ রায়পুরে ৩ মহিলাকে বেহুশ করে দুঃসাহসিক চুরি তদন্তে পুলিশ।

 

বাবলুপ্রামানিক, পাথরপ্রতিমা।

 

দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার ঢোলাহাট থানার দক্ষিণ রায়পুর রাজপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটলো সাইফুল রাজের বাড়িতে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সাইফুল রাজ এবং তার ছেলে রায়হান রাজ কর্মসূত্রে কেরালা তে থাকে। বাড়ি তে সাইফুলের স্ত্রী মেয়ে এবং বৌমা ছিল। সেই সুযোগে গতকাল রাত্রে এই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। আজ সকাল ৮ টা পর্যন্ত সাইফুল রাজের বাড়ির কোন লোক বেরোচ্ছে না দেখে পাশের বাড়ির লোকজন গিয়ে দেখে বেহুঁশ অবস্থায় পড়ে রয়েছে তিনজন দুটি ঘরে। এক ঘরে মা এবং মেয়ে অন্য ঘরে বৌমা। বহু ডাকাডাকির পর সাড়া না দেওয়ায় চিৎকার চেচামেচি করলে এলাকার লোকজন ছুটে আসে। ডাক্তারকে ডাকা হয় ডাক্তার এসে জানিয়ে দেয় এরা বেহুশ রয়েছে হাসপাতালে পাঠাতে হবে। খবর দেওয়া হয় ঢোলাহাট থানায়, থানার পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে পাশের বাড়ির পাশের বাড়ির লাইলী নামে একটি মেয়ে গত 5 দিন আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে ভাইদের কাছে আসে, যার বিবাহ হয়েছে ওই একই থানার কোচফলে। গতকাল সন্ধ্যায় লাইলি নামে মেয়েটি রায়হানের স্ত্রীর কাছে ঘুমাতে আসে।সকাল হতে মেয়েটি বেপাত্তা হয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায় পাশের বাড়ির একটা কাকে বলে সাইফুল দের বাড়ির সবাই কথা বলছে না বেহুশ হয়ে আছে বলে সে সকালে পালিয়ে যায়। আরো জানা গিয়েছে ঘর করার জন্য গতকাল 65000 হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে মারুফ রাজ স্বামীর সাইফুল বাড়িতে রেখেছিল কুলপির ইটভাটায় দেওয়ার জন্য। সেই টাকাসহ ঘরের বাক্স বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙ্গে সোনার গহনা থেকে সবকিছু নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে গ্রামবাসীদের অনুমান ওই মেয়েটির একাধারে ঘটনা ঘটেনি কারণ দরজা ভেঙে তিনজনকে বেহুশ করে এত বড় কান্ড ঘটনা ওই মেয়ের একার দ্বারা সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অসুস্থ তিনজনকে গদামথুরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।