স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির (ভাতাড় )

2nd June 2020 7:13 pm বর্ধমান
 স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির (ভাতাড় )


রক্ত সংকট পূরণের উদ্দেশ্যে পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড় ব্লকের আমারুণ এক নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমারুণ গ্রামে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির আয়োজন করা হয়।

এই মহতী শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ভাতাড় ব্লকের প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা, ভূমি কর্মাদক্ষ মানগোবিন্দ অধিকারি, ভাতাড় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পরেশ নাথ চক্রবর্তী,জনসাস্থ কর্মাদক্ষ মহেন্দ্র হাজরা, ভাতার ব্লকের ছাত্র পরিষদের সভাপতি সঞ্চিত দত্ত , বিশিষ্ট সমাজসেবী অশোক হাজরা সহ আমারুণ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীবৃন্দ।

ভাতার ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সঞ্চিত দত্ত জানান, লকডাউন এর ফলে ব্লাড ব্যাঙ্ক গুলিতে  রক্তের সংকট দেখা দিয়েছে এই রক্ত সংকট পূরণের উদ্দেশ্যে ভাতাড় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস এর সহযোগিতায়  এবং  আমারুণ 1 নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আমারুণ গ্রামে এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশ অনুসারে 30 জন রক্তদাতা রক্তদান করেন ।সংগৃহীত রক্ত আমরা বর্ধমান মেডিকেল কলেজের ব্লাড ব্যাংকের আধিকারিকদের হাতে তুলে দিলাম এবং আগামী দিনেও প্রতিটি অঞ্চলে এই রক্তদান শিবির আয়োজন করা হবে। 
ভাতাড় থেকে মিলন এর রিপোর্ট  ACN LIFE NEWS





Others News

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়

শাশুড়িকে পুড়িয়ে মারলো জামাই : এলাকায় চাঞ্চল্য ভাতাড়


ভাতারের বাসুদা গ্রামে শাশুড়ি কে পুড়িয়ে মারল জামাই, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বাসুদা গ্রামে মাসি শাশুড়ি কে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে মারল জামাই। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভাতারের বাসুদা গ্রামে।
উল্লেখ্য জামাই কৃষ্ণ মালিক বাড়ি পান্ডুয়াই। তার বিয়ে হয়েছিল ভাতারের কুমারুনগ্রামে গঙ্গা মালিকের সঙ্গে আট বছর আগে। তাদের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।গঙ্গা মালিকের অভিযোগ গত শুক্রবার তাকে তার স্বামী মারধর করে এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। সে পান্ডুয়া থেকে চলে আসে ভাতারের তার মাসির বাড়ি বাসুদা গ্রামে।
এরপর তার স্বামী অর্থাৎ কৃষ্ণ মালিক গতকাল অর্থাৎ সোমবার তার মাসি শাশুড়ির বাড়ি বাসুদা গ্রামে আসেন। সেখানে তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও শ্বশুর অজিত মালের সঙ্গে বকাবকি করেন এবং হুমকি দেন তাদেরকে পুড়িয়ে মারবেন।

কৃষ্ণ মাল বকাবকি করে তার বোনের বাড়ি ভাতারের খুরুল গ্রামে চলে যায়।রাত্রি 11 টার সময় এসে ঘরে শুয়ে থাকা তার মাসি শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল ও অজিত মালকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারতে চাই। ঘটনাস্থলেই তার শাশুড়ি জ্যোৎস্না মাল মারা যান অজিত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজে।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ কৃষ্ণ মালিক কে মেমারির হাসপুকুর মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে বিচার বিভাগের জন্য বর্ধমান কোর্টে পাঠানো হচ্ছে।

মৃত জ্যোৎস্না মালের পরিবারের লোকজনের দাবি কৃষ্ণ মালিকের কঠিন সাজা হোক।
সমগ্র ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট। ACN LIFE NEWS