বাঁকুড়া জঙ্গল মহলে একটি বিস্ফোরক ভর্তি পাত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য

15th July 2020 2:55 pm বাঁকুড়া
 বাঁকুড়া জঙ্গল মহলে একটি বিস্ফোরক ভর্তি পাত্র উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য


100 দিনের কাজ করার সময় বিস্ফোরক ভর্তি পাত্রটি পাওয়া যায় বলে জানা গেছে হলিউড সূত্র মারফত বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে রানিবাঁধ থানার মুরকুম গ্রামের পাশে 100 দিনের কাজ করছিলেন কিছু মানুষ। ঊষর মুক্তি প্রকল্পে হাপা খোঁড়ার কাজ চলছিল। হঠাৎই মাটির ভেতর থেকে একটি বড় প্লাস্টিকের ড্রাম বেরিয়ে আসে। ড্রামের ভেতর বিস্ফোরক জাতীয় কিছু রয়েছে-বলেই আশঙ্কা করেন কর্মরত শ্রমিকরা। ড্রামটি উদ্ধার করে তার ভেতরে বেশ কিছু বৈদ্যুতিক তার ও দেখতে পাওয়া গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বিষয় সম্পর্কে বারিকুল থানায় খবর দেওয়া হয়। বারিকুল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং জায়গাটি কে ঘিরে রাখা হয়েছে। acn life news





Others News

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক ( বাঁকুড়া )

ফের পথ দুর্ঘটনার বলি 2 : অবরুদ্ধ 60 নং জাতীয় সড়ক  ( বাঁকুড়া )


পথ দুর্ঘটনার কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাঁকুড়ার মেজিয়ায়। অবরুদ্ধ বাঁকুড়া- রানিগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক।


ফের পথদুর্ঘটনার বলি ২, বাঁকুড়া- রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের তারাপুরের কাছে ঘটে এই মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা।ঘটনাটি ঘটে গতকাল গভীর রাতে। স্থানীয় সূত্রে খবর মেজিয়ার দুই বাসিন্দা অমিত দাস ও সুমন ভট্টাচার্য বাইকে করে দুর্লভপুর থেকে মেজিয়া অভিমুখে আসছিলেন। সে সময়  বাঁকুড়া রানীগঞ্জ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের মেজিয়ার তারাপুরের কাছে কোনো এক অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই দুই বাইক আরোহীর। রাতেই মৃতদেহ দুটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে মেজিয়া থানার পুলিশ। দেহ দুটিকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবে পুলিশ ।এই দিকে এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে আজ ভোর থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এই জাতীয় সড়ক। স্থানীয় বাসিন্দারা মৃত দুই পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।অবরোধ এখনো চলছে। লাইন বাই লাইন দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক লরি ও বাস। হয়রানির শিকার হচ্ছেন নিত্য পথযাত্রী  থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষজন।                                                                                                                                                               বাঁকুড়া থেকে দেবব্রত মন্ডলের রিপোর্ট